ঢাকা | 20 May 2026

মধুপুরে গরমে বেরেছে তালের শাঁসের কদর

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি, .
নিউজ প্রকাশের তারিখ :May 20, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: ছবির ক্যাপশন:
ad728
প্রচণ্ড এই গরমের কারণে মধুপুরের মানুষের মাঝে বেরেছে তাল শাঁসের কদর। একটু তৃপ্তি ও প্রশান্তির আশায় এই তাপদাহের মধ্যে শহরের আনাচে কানাচের গলিম মোড়ের তাল শাঁস বিক্রেতার মাঝে ভির জমাতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষের।

অতিরিক্ত চাহিদার কারণে বাজারে অন্য বছরের তুলনায় দাম খানিকটা বেশি হলেও, বিক্রি হচ্ছে প্রত্যাশার তুলনায় বেশি। প্রতি তাল (তিন কোষ) বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেতে ৩০ টাকায়। আর এক কোষ বিক্রি করা হচ্ছে ১০ টাকায়। 

মধুপুর পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড আনারস চত্বর, সাথীর মোড়, জামালপুর রোড ও ময়মনসিংহ রোডের তারা কমপ্লেক্স এর সামনে পানি তাল শাঁষ বিক্রি করতে দেখা গেছে। মধুপুর অঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তাল ও এর গাছ কাঠের উৎস হিসেবে পরিচিত। অপরিপক্ক তাল স্থানীয়ভাবে ‘পানি তাল’(তাল কোষ) হিসেবে পরিচিত। গরমের কারণে তালের কোষের চাহিদা বরাবরই থাকলেও এ বছর মানুষ তালের কোষের প্রতি আরও বেশি  ঝুঁকেছেন। চাহিদা থাকায় গ্রাম-গঞ্জ থেকে তাল সংগ্রহ করে সড়কের পাশে ও অলিগলিতে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
ধলপুর গ্রামের তাল কোষ ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া জানান, গাছ হিসেবে তাল মোকতা মুক্তি কিনে মধুপুর শহরে এনে আমরা ভাইয়েরা মিলে বিক্রি করি। আকার ভেদে প্রতিটি তাল ২০ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি করি। গত ১৫ দিন ধরে তাল বিক্রি করছি।

তাল ক্রেতা জুয়েল রানা বলেন, পরিবারের জন্য প্রতি কোষ ১০ টাকা পিস হিসেবে ৬ কোষ তাল কিনেছি। গরমের সময় প্রায় প্রতিদিনই কিনে নেই পরিবারের জন্য। 

এ বিষয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. গোপাল সাহা জানান, তালের শাঁস একটি বীজ জাতীয় ফল। এতে প্রচুর পরিমানে মিনারেল ও এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। 
তবে খাওয়ার আগে অবশ্যই পরিস্কার-পরিছন্নভাবে না খেলে আবার ডায়েরিয়ারও ঝুঁকি থাকে। 



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ