টাঙ্গাইলে শাশুড়ীকে হত্যার দায়ে জামাতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের স্পোশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডিত আসামি হলেন জামালপুর সদরের তেলিয়ানপাড়া গ্রামের নূরুল ইসলাম দুদুর ছেলে রেজাউল করিম দুলু।
টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান কবীর জানান, টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার বুরাকুড়ি গ্রামের নুর হাই এর স্ত্রী রাবেয়া বেগম ছিলেন আসামি রেজাউল করিম দুলুর শাশুড়ী। কিন্তু সাংসারিক জীবনে বনিবনা না হওয়ায় রাবেয়া বেগমের মেয়ে নুরুন্নাহার ২০০৬ সালের শুরুতে তার স্বামী রেজাউলকে তালাক দেন। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে রেজাউল তার লোকজন নিয়ে ২০০৬ সালের ২৭ জুন রাতে রাবেয়া বেগমের বাড়িতে গিয়ে নুরুন্নাহারের ওপর হামলা চালায়। তখন রাবেয়া বেগম এগিয়ে এলে রেজাউল তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাবেয়াকে মধুপুর কালিয়াকুড়ি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন রাবেয়ার স্বামী নূর হাই বাদি হয়ে মধুপুর থানায় রেজাউলসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। ২০০৭ সালের ২৩ জানুয়ারি সকল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দেয় পুলিশ। ২০ বছর পর গতকাল রবিবার এ মামলায় রায় দেন আদালত। আসামি দুলুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। মামলার অপর পাঁচ আসামি ছামাদ মণ্ডল, তোতামিয়া, মিলনমিয়া, আজিজুল ও আবুলকালাম বেকসুর খালাস পান।